Skip to main content

Posts

Showing posts from May, 2016

হেনরিয়েটা

1....হেনরিয়েটা তোমাকে কেউ মনে রাখেনি, রাখেনি তোমায় মধূর সাথে, জন্ম যদি তব নাহি বঙ্গে ! বঙ্গকে রেখেছ,মেখেছ অঙ্গে! ------- হেনরিয়েটা, ভুলে গেছে তোমাকে! এই বঙ্গ ভাণ্ডারে লুকানো রঙ্গে। ঢঙ্গের মেলায় নাম দে মধূ সঙ্গে হেনি, ভ্রমে হারায় তোমার ছায়া জং এ। ------- হেনিরেয়েটা,বুঝে কি তোমায় বঙ্গ ব্রজাঙ্গনা,পদ্মাবতী তুমিই ছিলে ছায়া সঙ্গ মধূকে দিয়েছ সঞ্চিবনী, তিলে হয়েছ সাঙ্গ। হেনি,না খেয়ে মরলে! সোনার জীবনে অঙ্গ। ----------- কেউ মনে রাখে না, রাখে নি জঞ্জাল গুলা সাক্ষি থাক। মধূসূদনের সাথে হারিয়ে গেছে হেনি জানি অমর জানি তবু মানি,অজেয় হেনি। --------- হেনিরিয়েটা

অভিশপ্ত ফড়িং

b...... ---------------------- -----অভিশপ্ত ফড়িং----- *-*********-*****-***- আমার ঘরটা পুড়ে গেছে শ্রাবনের ঝড়ে' তাল গাছটা দাঁড়িয়ে আছে ভাদ্রের ঘ্রানে, আর বাবুই পাখি বাসা বাঁধে পাতার ঢগায়। পৌষের মিষ্টি বাতাস কাঁপন ধরায় শিরায় শিরায়। :: একজন শীতের দিন গুনে সরিষার শিমে আরেক জন জন্মান্তের তেল ঘষে যায় কখনো বুকে,পিঠে, উরু কখনো স্তনে! আর কানা-মালায় বলদ বলদামি-ই করে। :: সব খড়ে বাসা হয়, কুঁড়ে বাসা,পাখির বাসা! নাড়ায় হয় ছাই, সে ছাইএ আবার সোনা নেই! আছে বিষাক্ত পোকার মৃত গন্ধ। আছে হাজার ঘাস ফড়িং এর জীবনের গল্প। :: আর পুড়ে মরা অনিষিক্ত হাজার খানেক ডিম্বকের ক্লেদাক্ত আহাজারি,কান্না। যে চোখের জল সাদা,তা কিন্তুমায়া কান্না। আর যে জল মুখ নয়, মন্দিরা ভেজায় সেটাই কষ্ট। :: সবাই বুঝে আলোর ছায়া কি! কিন্তু দেখে কি? সবাই ভাসতে চায় স্রোতে, তবে বাণ কি? দেখার বিষয়টা দূর্গার তৃতীয় নেত্রে ভার দিলাম কিন্তু আগুন নিভে কোন বায়ে! :: পবন, সে বেড়াতে গেছে দক্ষিনের মন্দিরে, বিচার প্রাপ্তি অভিযোগ দিয়ে ক্ষান্ত, দণ্ডধারী সেবা নিয়ে খুশি, তেনার সময় কই। দিব্য জিনিসটা হয়ত আর দেখা হবে না একালে। :: ...

উৎপাত

a....আমি এক দ্বিখণ্ডিত সমাজের কীট, একদিকে পুঁজি,আরেকদিকে প্রেম। একদিকে সমাজ অন্যদিকে ধর্মের ডাক, একদিকে স্রোতের বান,অন্যদিকে উজানের ক্ষয়। :: আমি দাঁড়িয়ে আছি রক্ত খালের পাড়ে। ঘামের স্রোতে শীতল শরীর, আর আবুলের ঘরে ভাতের কান্না, কানসা মিয়া মৃত বাপের মেজবান দে!! :: মৃত্যু কে দেখনি ?তবু শখ মেটে না। একদল মৃত শরীর বেব্যচ্ছেদ করে আরেকদল শকুনের খাদ্য তালিকায় যোগ দে, প্রতিবাদের দল বানাই আরেক ঝাঁক নতুন। :: সবাই স্রোতের কীট, প্রিয়তার মূর্খ বাহ-বার কাঙাল, সস্তায় গা বিলায় আর নতুন করে পুরাতনের মিছিলে যোগ দে দাঙা বীর, পুরুষ যে মরে গেছে। :: আমি পরিবর্তন চাই না, চাই ধ্বংস মেরামত চাই না, চাই সৃষ্টি। তারুণ্য তেজ দরকার নেই, চাই জ্বলন্ত শিখা, পথ নয় পাথেয়। ------------------* সুজন রুদ্র ১৬/০২/১৬

দ্বাদশীর প্রতিপদ

a...... উঠতে আমার ভাঙা দোচাল তার উপরে কি? নামতে আমার দুফোঁটা জল গন্ড ছেড়েছি! :: উঠতে আমার হাঁটুর কাঁদন পঙ্খি জলের ঘাট। নামতে আমার চিত্ত ছেদন কাঁদা পানির মাঠ। :: পাপের উপর ঘরের খুঁটি ঘুন ধরেছে বাঁশে। পূণ্যের উপর বাধুক ঝুটি পাঁচ বছরের আশে। :: সব করেছ বুঝে শুনে ধর্ম কলের ফাঁদে শব করেছ বুঝে শুনে আমার মনকি দাসে! :: হবার টুকু হোক না ভাল! মিছে ভয়ে পাপ। বাজার ঘন্টা বাজতে দিলে, সাত খুন হয় মাপ। :: আমার পথটা অন্ধকারের হাল ধরিব টিকি। সেতার বাদ্য সব কবুলের, সব করিলে সুখী। :: আমার শপথ হোক না পূরণ পাথর চাপা ছাই এ সুখের লাগি সব করা মান মিছে ভয়ে পিছে। :: ভয় করি না মাপের কাটি যা কর সব খুন। আমার খুনে বাঁচে মাটি কাবেরী সতীর গুন । -------------- পাপ্য পূনের হিসেব আমি কারে বা শুধায়। ************ সুজন রুদ্র। ----------------

নিখোঁজ বাতি

a..... সোনালী পাখায় ভর করেছে প্রজাপতি ডাবের শাঁসে খুঁজে অকাল মৃত্যুর হর্ষ ধ্বনি। ধ্বনির মধ্যে খুঁজে নিতে হয় জীবনের রস, বেত কিংবা কফ ফলের মতন,অমৃত। :: মনের রাজ্যে সবাই ফকির, কারোটা অভাবের কারোটা স্বভাবের। সবাই চায়, কাথায় শুতে,নাক ঢাকতে তারপর লম্বা ঘুমে পাথর চাপতে। :: বাবুই বাসা বানাই তাল গাছে, আর একদিনের বৈশাখী! সব গাহন করে। সুখ-সারি বাসা বাঁধে, নিশিতে, তারাই সুখী, তাদের জাত নেই, কাল নেই, নেই ধর্ম। :: আমি মরে আছি গেড়োর জাঁতাকলে, নিশিতের ডাহুকের স্নেহে, কিংবা নিম পাখির "নিম নিম " শব্দের ঘোরে,কালো অমানিশায়। পরের ভোর আর দেখা হয় না, তার আগেই সূর্য উকি দে।। :: ফকিরি, রাধারমণ, ধুন্ধুর,আর বাউলে মেতে, সন্ধ্যা পার হয়, বাড়ির ফেরার কাসা বাজে। মলিন নগরে ক্লান্ত কাকের কান্তি নেই। ভোরের নেশা, ঘুমের নেশা এক হয়, কারে চায়!! ,-------- -------- ১০/০৩/১৬ সুজন রুদ্র। ------------- আজকে যে শিশ দিয়ে গান গায়, কারো গান শুনবে সে কাল সে, হরিহর আত্না শুদ্ধ চশমা, চল্লিশ পেরোলেই চালশে।। কালসে+------ ::

ইচ্ছে বিলাস

আ।। বুকের বাম পাশ আজকাল বেশি মোচড় দে, আর ডান পাশটায় টান দে ভিতরের দিকে। আর ভেতরের মানুষটা এই বুঝি প্রাণ যায়। আবার আমি পাথর হলাম।। :: ওরা বলে পাথরের নাকি আবেগ নেই, নেই কোন দাবী, নেই ইচ্ছা। স্রোতে ডুবে গেলে কার কি! তলিয়ে গেলেই বা কি হয়। :: স্বপ্ন আপেক্ষিক, কারো কাছে সোনা দানা কারো কাছে গান শুনা।। মরে গেছে ডানা ঝাপটানো পাখা। মরে গেছে ভেতরের যত কথা।। :: চোখে মরে গেছে, কারো আগুনে। দেখা মরেছে সকালের টাটকা আলোয়। সব ইচ্ছা পূরণ হয়, কিন্তু মরার ইচ্ছাটা কে যেন বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে! :: নতুন ভোর দেখার ইচ্ছে নেই, নতুন আলো আর টানে না এক মূহুর্ত। এই দাব দাহে মরলে শকুনের চোখে পার পাব, আমার দেহ খেয়ে যা ওরে কাক! :: :: ইচ্ছে বিলাস :::::::;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;; ১২/০৪/২০১৬

বয়স

আ।। বয়স থেমে আছে বারতে, ঘুম পুড়ে মারে নেশার হাত এই হাতে মিলেছিল আরকে বাহু, দূরত্ব বেড়ে গেছে হাতের পর হাত।। --------- যে চোখে আলোর ফোয়ারা ছিল, ব্যাথার আকুতি ছিল, আজ অকালেই ভোর হয়ে গেল সব। গেল আমার অস্তিত্ব টান দিয়ে। ------- ব্জ্রপাতে কি শকুনের মৃত্যু হয়? চোখেই দেখি সেই ক্ষুরধার এই বুঝি গ্রাস করল আমাকে, পালাতে পারলাম-ই বা কই! ------ সেই বার রাতে পান্তা ভাত খেলাম। আর খেতে বসে হাসির ফোয়ারা দেখলাম। সে হাসেতে সুখ ছিল না। আজ ও নেই,ঢেকে আছে মিথ্যার কালিমা। ------ সেইবার আমার নেশা হল,আঁটকুড়া নেশা আমি ভুত হয়ে,ঝিমাই। ঝিমুনি আজ ও লেগে আছে চোখে আর চোখে লেগে আছে তামাকার গন্ধ। ----------- তোমার চোখে আমার নেশা ১৯/০৪/১৬ সুজন রুদ্র

প্রেমের ডুব

a.. সরোবরে ডুব দিয়ে ভুলি ছায়াতল। দুপুর পুরোলো বেলা ললাটভুতল। নেই তার স্নেহরস মিছে বারুপাস। পাতায় পাতায় বেলা মিলে সর্বনাশ।। ---- মেঘ হতে বারি ধারা নিমেষ ভুতল। ভূতলে ভূলুণ্ঠিত আপন সজল।। আগ হতে আগামীর ধান ক্ষেতে তরু। হারু মারু দিন শেষে সবুজ মরু।। --- মরু আর মরিচীকা দুভাই মিলে। গলায় মিলেতে সর্ব ধ্বংসা গিলে।। হায় পায় নাকি কিছু মাথা গিলে খায় দুই পাঁচ ছেড়ে ছুঁড়ে পকেটে মিলায়।। ---- আধ ঘাট প্রেম মিলে শশ্বান ঘাটে। কিছু বাঁচে কিছু মরে কিছু দিন কাটে।। শেষ আছে শেষ বেলার,শেষের বাহার। নিচে থেকে আরো নিচে তাদের আহার।। ---- ----------সুজন রুদ্র।। ০৬/০৪/১৬

ক্ষেতের মরা

ক।। এখানে ট্রামে চড়ে লাশ যায় বিকেলে, পাঠে মন দে আলোর অপ্সরী, ধান ক্ষেতে মরে যায় প্রাণের ফোয়ারা। ধানের ভেতর লুকায় জীবনের সৌন্দর্য।। :: এখানে মাছের চোখে দেখি জল, ডুবন্ত ফেনার মুখ বাঁচার বারতা খুঁজে। নতুনের আলিঙ্গন বিষিয়ে তুলে মন, আবার জোনাকিপোকা হানা দে সরিষা ক্ষেতে।। :: এখানে সুপারি ফুলের গন্ধ আসে না, বকুল,কামিনী কামুকের মত বেড়াজাল। আর মাছের গন্ধে ফিরে ধরে বংশবাতি,তেজ আর হাই তোলে তৃপ্তি।। :: লাশের মিছিলটা কবরে গিয়ে মিশে পাশের পারিজাত স্বর্গের ঘ্রাণ আনে, দেবদারু আর বড় হয় না, শুকনো মটরে খুঁজে জীবনের যত স্বাদ। :: এখানে ধানের ভেতরের রুপ কেউ দেখে না। দেখে না দুপুরবেলা আলোর রুপ সুপারির সুখ, তামাকের রং মিশে যায় সময়ে। এভাবে ফেলে চলে হাজার মাইলের পথ।। :: ---------------- ১৩/০৪/১৬/ সুজন রুদ্র।

দিলাম ছুটি

র।।।। ----------------- ক. যেখানে মৃত্যু সেখানে ধর্ম যেখানে পাপ সেখানে মন্দির। যেখানে দীর্ঘ নদী সেখানেই দুঃখ আর যেখানে কথা নেই সেখানে কবিতা। খ. যেখানে চেতনার যুদ্ধ,সেখানে রাজনীতি যেখানে পূঁজি, সেখানেই যুদ্ধ যেখানে দীর্ঘ পথ সেখানেই কান্না আর যেখানে কান্না নেই,সেখানেই কবিতা। গ. যেখানে পরীক্ষা, সেতাই বার্ধক্য। যেখানে খাদ্য, সেখানেই হল্লা। যেখানে রুপ সেখানেই আগুন। আর যেখানে ক্ষুদা নেই সেখানেই কবিতা। ঘ. যেখানে পথ,সেখানে বিভাজন যেখানে আলো, সেখানে ইচ্ছার মৃত্যু আর যেখানে ইচ্ছা নেই সেখানেই কবিতা। কবিতা তোমায় আজ দিলাম ছুটি। ---------------------- ১৬/০৪/১৬ যেখানে সেখানে সুজন রুদ্র।।।

যন্ত্র

যন্ত্রনা গুলো যন্ত্র করে দিচ্ছে ঝলসে দিচ্ছে আগুনকে। প্রেতপুরীতে আর প্রেতরা আসে না, আসে না যন্ত্র গুলো ধার দিতে! :: বুকের চাপা দুঃখ গুলো চাপাতি হয়ে খনন করেই চলছে হাজার মাইল গভীর আগ্নেয়গিরি, ধোঁয়ার রাজ্য স্বর্গ রচনা করে গিরিখাতের। :: ধূলির পাহাড়ে জমা পড়ে আছে হাজার বাক্যের অজস্র তীক্ষন ফলা। সেই ক্ষুরধারে কাটা পড়ে অজস্র জোনাকি আলো জ্বলবার আর কেউ নেই। :: চোখের গভীরতা দিনের পর দিন বাড়ছে গভীরতায় ডুবে যাচ্ছে দাগের চিহ্ন গুলো। আর মিশে যাচ্ছে কৃষ্ণগহ্বরে, টানের প্রাবল্যতা মাপবেন কি দিয়ে!! ------- ------- -------- আমি কি মানুষ আছি। ২২/০৪/১৬ সুজন রুদ্র। ,

দাম দিয়ে কি কিনেছি

দাম দিয়ে যায় ============ দাম দিয়ে যায়, ঘাম দিয়ে যায়। পেলাম সোনার গান। মন দিয়ে যায়, মান দিয়ে যায়। বামে লাশের বান! :: গানের পর গান দিয়েছি সুরের উপর রাগ। আভোগ পেরোয় অন্তরাতে শিয়াল কাকের ডাক! :: ডাকের পর ডাক দিয়েছি স্বাধীন করব দেহ! হাঁকের পর হাঁক দিয়েছি রক্তের বাজার দেখ! :: বাজারের পর বাজার হল ডিক্রি হল কেনা! আমি মানুষ বিক্রি হলাম শোধ হবে কি দেনা। :: বিক্রি হল রক্ত আমার, বিক্রি হল বুলি এমন বিক্রি, জাত তুলেছি পথে মাথার খুলি! :: খুলির উপর হাঁটতে গিয়ে খুলেছে পথের ধুলি ধুলির উপর ঝং ধরেছে! রক্ত বুলেট গুলি! :: মানে দিয়ে যায়, মান দিয়ে যায়। বামে লাশের বান! হাজার বছর পথ পেরোনো আমার সোনার গান! ============= ২৩/০৪/১৬ ============ সুজন রুদ্র। =========== """আমি ধান দিয়ে কিনেছি বাংলা কারো ----- কিনা নয়"""

স্রোত

a.একি রোদ,, নাকি মরা কঠাঁলের স্রোত।।।।। ভেঁসে গেল তারিখ ২৪,,২৫ কেঁদে ডুকরে। ভেঙে বুকের কাঁসা,, মৃয়মান কাতরতা কিছু র্যালি,কিছু মিছে স্রোত একি ভেঁসে গেল.... একি রোদ,, নাকি মরা কঠাঁলের স্রোত।।।।। বছর গুলা গুরে ফিরে,, ফিরবে দিন দিঠি,, আবার কিছু মাতাল প্রলাপ মিঠিং মিছিল লাঠি।।। একি রোদ,, নাকি মরা কঠাঁলের স্রোত।।।।। কারো কান্না শুকায় নদী বানের জলে ভাঁসছে গদি। কারো মিছে মরা কান্নার ক্রোধ।। একি রোদ,, নাকি মরা কঠাঁলের স্রোত।।।।। মাফ চাহি পলাতক আমি মিথ্যা বানী অন্তযার্মী ক্রোধে চাপি ক্রোধ।।।। একি রোদ,, নাকি মরা কঠাঁলের স্রোত।।।।। ----------------------------- রানা প্লাজা ও ভুমিকম্পে নিহতদের স্মরনে।।।। বিঃদ্রঃ প্রার্থনা ক’রো যারা কেড়ে খায় তেত্রিশকোটি মুখের গ্রাস, যেন লেখা হয় আমার রক্ত-লেখায় তাদের সর্বনাশ!!!!!!!!

কিচ্ছু বাড়ে নি

b.দিবসের পর দিবস বাড়ছে, দিন তো বাড়ে নি! লোকের পর লোক বেড়েছে, মানুষ বাড়ে নি! :: গল্পের পর গল্প বাড়ছে, বর্ণ বাড়ে নি! কলামের পর কলাম বাড়ছে কই! খুন তো কমে নি! :: দলের মধ্যে সংখ্যা বাড়ছে দলা-দলি তো কমে নি! দলের পর দল বাড়ছে নেতা বাড়ে নি! :: খুনের পর খুন বাড়ছে খুনি তো পায় নি! কথার পিঠে কথা হচ্ছে আজাইরা টক শো কমে নি! :: বছর ঘুরে বছর হচ্ছে রক্ত হচ্ছে ঘাম মে দিবসের হাজার শো শেষে কুলির নাইকো দাম! :: কত দিবস আসবে যাবে লাভ টা হচ্ছে কি! আমার মত কুলি যারা, তারাতো কুলিই থাকতেছি। :: গোড়া পানি আগাই ঢেলে, সমাজ সেবা কি? আর কিছুটা বাকি রাখতে গোড়ায় হাতটা দি!! ::::::::::::::::::::::::::::::::::::::: ২৭/০৪/১৬ সুজন রুদ্র ---------------