Skip to main content

ভুলতে ভুলতে

শেষ দেখা হয়ে গেছে অনেক আগে,
তখন আমি যৌবনের ভারে শিশু।
কালো কাজলের ফাঁকে খুঁজেছিলাম অন্ধকার;
গভীরতার তীক্ষ্ন চাপে দলিত ছেলেমানুষ।
ছোঁয়ার আঁড়ালে আঁকড়েছি
লাল-কালো দাগ মিশে গেছে পিঠের ভাঁজে ভাঁজে,
হাতের নখ আঁচড়ে দিয়েছে সব কিছু।
এরপর মনে রাখার নামে ভুলে গেছে অনেকবার।
:
ভুলতে ভুলতে সময় আমাকে যথেষ্ট ভুলে গেছে,
আকাশের সীমায় প্রতিধ্বনিত হয় বজ্রপাত।
বুকের হাঁড় গুলো এক জায়গায় জড়ো হয়ে গেছে
ভাঙা হাড়ে সব শব্দ আটকে গেছে।
আটকে গেছে অনেক কিছু, মুখোমুখি।
বাধ ভেঙে যায়; কিন্তু বাধা?
সে-ত নিত্য, আমন্ত্রন পেতে রেখেছে।
:

মাক্স,লেলিনের যুক্তির সামনে বিশ্বাস ঠুনকো,
পাঠ কাটির ধোঁয়া আর ছাই মিশানো।
শরীর আমাকে কোন দিন টানে নি,
নেশার ঘোরে  মাতালে ও নয়।
কিন্তু কি অদ্ভুত, বিশ্বাস টেনে নিয়ে শরীরটাকে  মুখাগ্নি মুখোমুখি, পুড়বে,
ছাই আর ধোয়া ছড়াবে।
আকাশের সীমায়, বাধ্য করা ক্ষমার চাবুকে।
:
আবার মনে রাখার নামে
বার বার ভুলে যাবার নেশায় মেতেছি।
ভুলার নামে নাটকের মঞ্চে আমি একা,
হাত তালির বিকট শব্দে কান ফেটে যাচ্ছে।
কি অদ্ভুত!  সামনে কাউকে দেখতে পাচ্ছি না।
:

-----------( সংক্ষিপ্ত)
------------
২৩/০৬/১৭
---------------------
♣©♣<<\<<\<<
সুজন রুদ্র




Comments

Popular posts from this blog

গুপ্ত প্রেম

গুপ্ত প্রেমে আমি এখনো মজে, সকাল থেকে কি চিৎকার। নদীর তো আলো নেই। চোরা স্রোত কিংবা বালি ভাসাচ্ছে। ভাসবে আবার ভাসাবে, নিয়ে যাবে বুকে স্রোতকে মিলিয়ে। । এই তো এভাবেই যাবে, আর কিছু গোপন থাকবে। না বলার মাঝে, না বলার ভঙ্গিমায়। অচেনাকে চির আপন করে চেনাতে। : বৃষ্টি কিন্তু আমি দেখি না, যখন ছুঁয়ে দেয়, অনুভূতি বলে, " এই তো বয়ে পড়ছে, আমার অস্তিত্বের প্রতি আবরণ"। আর গঙ্গায় গিয়ে মিশে সমস্ত বিলাস। : গুপ্ত প্রেমের প্রতীক আমি, প্রেম যে নশ্বর, ঈশ্বর বলেনি তো! এরপর ও বিনাশী হয়ে উঠে। হয়ে ওঠে অদম্য, চির অচেনা রুপে। যে আমি আমি মরে গেছে, সকালের ধার ঘেঁষে। অমাবশ্যায় মরা কঠালের স্রোতে ভেসে। তেজস্বিনীর বিরুপ রুপে। মেঘময় আগুণে, চাপা কয়লায়। : মনে পড়ছে ভোর অতীতের কথা, কিন্তু পাশে কেউ নেই। মনে পড়ছে শুভ্র মিতালীর কথা, এক পায়ে দৌড়,কিংবা টানা ঝগড়ার কথা, কিন্তু কি অদ্ভুত, এখন যে পাশে কেউ নেই। শব্দের মত বিলীন হচ্ছে আমার সমস্ত আমি। : ------------- ২৩/১০/১৭ -------------------- সুজন রুদ্র

অচেনা

----------অচেনা ----------- আমিতো প্রেমিক নই,বেশি ভালবাসতে পারব না। যেদিন পুরুষ হব ; সাথে নিব রাঙা বশির হাঁটে। কবুতরের বিয়ে হবে, দেখব লাল শালিকের ঝাঁকে। লেবুর বনে সন্ধ্যাবেলায় দেখব বাতাসের নাচন। : আমিতো প্রেমিক নয়,বিরহের কাঙালি, কবে বেচে দিয়েছি নিজেই জানি না, লুকানো। যেদিন পুরুষ হব, সাথে নিব চারকির মেলায়। বাদামের গন্ধে খুঁজে নিব তোমার বিনি বাঁধা চুল। বেঁধে গলায় চড়াব তুলসী,আঙ্গুলে আঁটা সুতোয়। তোমার সাথে ভাগ করব আরো নতুন বিরহ। চোখে অভিযোগের শকুন,চেশা জগা তালের রসে। : যেদিন পুরুষ হব, দেখো তোমাকেই নিয়ে যাব দোয়াবে। লজ্জাবতীর কাঁটায় রাঙাবে পা,বুলবুলিও হাসবে সেদিন। বকফুলের বাঁকে বাঁকে দেখা যাবে জোনাকি, সন্ধ্যা প্রদ্বীপ ছুঁয়ে যাবে জল,ফিরে আসা খাঁচায়। : যেদিন পুরুষ হব, একটু জল দিও সাথে। সাগরের তেষ্ঠায় দেব বৃষ্টি,হাঙ্গের মত ঘ্রাণ। ----------------------১৯/০২/১৮

অদ্ভুত রমরমা

------অদ্ভুত রমরমা-------- বুকে কি অদ্ভুত আগুণ! এই বুঝি পুড়ে যাবে সব, জাতের মান গেল লুকানো চোখে। কিন্তু প্রেম রয়ে গেল চোখাচোখি, বেশরম  রমরমা দৃষ্টিতে। : দোষের ঘাড়ে পা দিল জনতা। কি সুন্দর গান ছুঁয়ে নিল মন। পাশের চোখেই হল সর্বনাশ আঁড় চোখের কোপে গেল ভেসে। : তবু প্রেম রয়ে গেল লুকোচুরির ছবিতে মিষ্টি হাসিতে আর বয়সের ফাঁসিতে। থাক, মিশে সব অন্ধকারে বাঁধানো রিক্সায়, হালকা ছোঁয়ায় ঠাণ্ডা আইসক্রিমের চামচে। : বৃষ্টির বলগায় টেনে নেয়া হাতে, প্রেম চলে যাবে বন্ধুর হাত ধরে দূরে আরো দূরে! কাছাকাছির টানে, উম্মুখ ইশারায়। : আমাদের বয়সে সব কিছু ছুটি দিল। মন থেকে মুঁছে দিল হাহাকার হাসিতে। প্রেম চলুক গরগর রিক্সায় আলোতে, বৃষ্টির পানিতে। -------------------- -------------------- ১১/০৮/১৭ ---------------------- সুজন রুদ্র।